শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এক বিন্দু অক্সিজেন মানুষকে বাঁচাবে, এক টুকরো স্বপ্ন শিশুকে বাঁচাবে ! শৈশব পেড়িয়ে কৈশোর দেখিনি, কালকে আমার বিয়ে! শোকের মাসে জবি সাংবাদিকদের নির্বাচন, গঠনতন্ত্র বহির্ভূত কার্যক্রমে ফলাফল স্থগিত বামনায় সাংবাদিকদের মাঝে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ চরাঞ্চল ঘুরে করোনা টিকার ফ্রি নিবন্ধন করাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান চরফ্যাশনে যুবককে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশ অবরুদ্ধ তৃতীয় দিনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফিরেছে জবি শিক্ষার্থীরা “সেরা রাঁধুনীতে ফাষ্ট রানার্স আপ নাদিয়া নাতাশা” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে করোনা মোকাবিলায় মোদির মন্ত্রিসভায় রদবদল, শপথ নিলেন ৪৩ মন্ত্রী

ব্যাংক এশিয়ার নারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আলোরদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে

আলোর দেশ ডেস্ক :

ব্যাংক এশিয়ার গ্রাহকদের প্রায় সোয়া ৩ কোটি টাকা আত্মসাত ও ১ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে নারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি করেন দুদকের উপ-পরিচালক সৈয়দ তাহসিনুল হক।

দুদক সূত্রে জানা যায়, মামলার একমাত্র আসামী হলেন ব্যাংক এশিয়ার দিলকুশা শাখার সাবেক এক্সিকিউটিভ অফিসার (বর্তমানে চাকুরিচ্যুত) সিলভিয়া আক্তার রিনি (৪৩)। ব্যাংক এশিয়ার কর্মকর্তার এফডিআর গ্রাহকেদের ঘুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করেন সৈয়দ তাহসিনুল হক। সম্প্রতি তিনি কমিশনে অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সিলভিয়া আক্তার রিনি দিলকুশা শাখায় ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকদের ৪৫৪টি লেনদেনের মাধ্যমে গ্রাহকদের সুদের মোট ৪ কোটি ৪৫ লাখ ৯৯ হাজার ৫২০ টাকা নগদ ও হিসাবে স্থানাস্তরের মধ্যে আত্মসাৎ করেন। এরমধ্যে ৪৩৭টি নগদ লেনদেনের মাধ্যমে ৩ কোটি ১৮ লাখ ৩৮ হাজার ৯২০ টাকা ও ১৭টি একাউন্ট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ১ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার ৬০০ টাকা অতিরিক্ত তুলে নেন। এরমধ্যে একাউন্ট ট্রান্সফারের টাকা দিলকুশা শাখা আদায় করতে সক্ষম হন। কিন্তু নগদ তুলে নেওয়া অর্থ আদায় করতে পারেনি।

এজহারে আরও বলা হয়েছে, হিসাব ও লেনদেনের অর্থ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে সমুদয় অর্থ সিলভিয়া আক্তার রিনি একাই আত্মসাৎ করেছেন। বিল ভাউচার অনুমোদন কারী হিসেবে ১২ জন কর্মকর্তা স্বাক্ষর করলেও প্রস্তুতকারী ও অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। ২০১৪ সালের থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আত্মসাতের টাকায় সিলভিয়া মোট ৮ বার বিদেশ সফর করেন। জিজ্ঞাসাবাদকালে সিলভিয়া আক্তার রিনি এর কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। দুদক মামলাটি দুদক আইন ও অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে রেকর্ড করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© 2020 সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আলোরদেশ লিমিটেড। এই সাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া কপি করা বেআইনি।
প্রযুক্তি সহযোগিতায়ঃ UltraHostBD.Com
RtRaselBD