বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এক বিন্দু অক্সিজেন মানুষকে বাঁচাবে, এক টুকরো স্বপ্ন শিশুকে বাঁচাবে ! শৈশব পেড়িয়ে কৈশোর দেখিনি, কালকে আমার বিয়ে! শোকের মাসে জবি সাংবাদিকদের নির্বাচন, গঠনতন্ত্র বহির্ভূত কার্যক্রমে ফলাফল স্থগিত বামনায় সাংবাদিকদের মাঝে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ চরাঞ্চল ঘুরে করোনা টিকার ফ্রি নিবন্ধন করাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান চরফ্যাশনে যুবককে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশ অবরুদ্ধ তৃতীয় দিনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফিরেছে জবি শিক্ষার্থীরা “সেরা রাঁধুনীতে ফাষ্ট রানার্স আপ নাদিয়া নাতাশা” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে করোনা মোকাবিলায় মোদির মন্ত্রিসভায় রদবদল, শপথ নিলেন ৪৩ মন্ত্রী

রাজনীতির নেশায় বাবার সম্পত্তি ও নিজের ব্যবসা খুয়ালেন আজাদ

আলোরদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১১৯৭ বার পড়া হয়েছে
আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার। -আলোর দেশ

আলোর দেশ, ঢাকা :

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার সংগ্রামী, সাহসী ও ত্যাগী কর্মীদের একজন। যিনি স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতির চর্চা শুরু করেন, যিনি উচ্চ শিক্ষিত, সৎ, দক্ষ ও ক্লিন ইমেজধারী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উজ্জল প্রতিচ্ছবি।

আওয়ামী লীগের সুসময়-দুঃসময়ে অকুতোভয় রাজপথে থাকায় রাজনীতি তার নেশায় পরিনত হয়েছে। আর এ নেশার পেছনে খুয়ালেন বাবার সম্পত্তি ও নিজের ব্যবসা । বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে সেই টাকা ঢাকায় রাজনীতির পেছনে খুয়াতেন তিনি। রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও বিভিন্ন প্রোগ্রামে সময় দিয়ে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সময় দিতে পারতেননা আজাদ। আওয়ামী পরিবারের সন্তান আজাদের উপর তার পরিবারের পরামর্শ ছিল ছোটবেলা থেকে সৎ ও সাহসিকতার সাথে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করা। সে অক্ষরে অক্ষরে তা মেনে চলতেন বলে জানা যায়।

আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার আ’লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েছেন সেই মাধ্যমিক স্কুলের ছাত্র থাকা অবস্থায়। এরপর রাজনীতিতে সকল ত্যাগ তিতিক্ষা পাড় করে সকল লোভ, লালসা ব্যক্তিগত সার্থকে বিসর্জন দিয়েও যিনি কখনো মুহুর্তের জন্যেও আ’লীগের রাজনীতির হাল ছাড়েননি। তার রাজনীতিক জীবনে দীর্ঘ ১৪ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছায়াতলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চেতনাকে বুকে ধারন করে, সততা ও নিষ্ঠার সাথে দলের জন্যে কাজ করে গেছেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে থেকে একজন পরিশ্রমী দক্ষ সংগঠকের দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করেছেন।

আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার রাজনৈতিক জীবনে পদার্পন করেন দ্বীপজেলা ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মির্জাকালু উচ্চ বিদ্যালয় থেকেই। তৎকালীন সময়ে তিনি নিজ জন্মস্থান মির্জাকালু উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন ১৯৯০ এর জানুয়ারী থেকে ১৯৯১ এর মার্চ পর্যন্ত । অতপর ১৯৯১ এর এপ্রিল থেকে ১৯৯২ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিলেন বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসান নগর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি । ১৯৯৩ সালে ভর্তি হন বরিশালের গভঃ সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে । সেখানে তিনি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ।

এরপর উচ্চ শিক্ষার জন্য আবুল কালাম আজাদ রাজধানী ঢাকায় চলে আসেন এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একাউন্টিং ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হন । সেখানেও তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের ছাত্রলীগের আহবায়কের দায়িত্ব পান । ১৯৯৫-১৯৯৮ (জানুয়ারী) পর্যন্ত একাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের ছাত্রলীগের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন।তার দক্ষতায় এবং রাজনৈতিক পরিশ্রম ও সততার গ্রহনযোগ্যতায় ফেব্রুয়ারী মাসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হন এবং ২০০১ পর্যন্ত এ পদে থেকেই তিনি এই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন । পরবর্তীতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসাবে ২০০২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনীতির পাশাপাশি একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং ডিপার্টমেন্ট থেকেই কৃতিত্বের সাথে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।সফলতার সাথে ছাত্র রাজনীতি থেকে পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে তিনি আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগে যোগ দেন । দীর্ঘ ১৪ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছায়াতলে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন। গরীব ও অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার জন্য ‘মুক্তবাংলঅ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি।

এছাড়াও আবুল কালাম হাওলাদার বিএনপি-জামায়াতের আমলে সামনের কাতারে থেকে রাজপথে সক্রিয় ভুমিকায় থেকে আওয়ামী লীগের জন্য রাজনীতি করেছেন।
১/১১ এর সময়ে বাংলাদেশ আ’লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখহাসিনার মুক্তি আন্দোলনে ছিলেন সামনের সারিতে।আর যার দরুন তাকে সহ্য করতে হয়েছে মামলা হামলা জেলজুলুমসহ বিরোধীদলের করা নির্যাতনের শিকার সহ্যকরতে হয়েছে আবুল কালম আজাদকে।

এদিকে গত ১১ নভেম্বর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি অপকর্ম সঙ্গে যুক্ত, বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে যারা জড়িয়ে পড়েছে তারা যাতে কোনও ভাবেই নেতৃত্বে না আসতে পারে। তাদের দাবি দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের অবশ্যই সৎ,যোগ্যতম ও অভিজ্ঞ এবং সাংগঠনিকভাবে সচ্ছ নেতৃত্বের অধিকারি হতে হবে।

আবার এবারের নেতৃত্ব বাছাইয়ে প্রাধান্য দেয়া হতে পার ১/১১‘র সময়কার দলের জন্য ভুমিকা রাখা কোন পরীক্ষিত কর্মীদের। পদপ্রত্যাশীদের একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়,নেতাকর্মীদের এবারে প্রানের দাবি এমন একজন সংগঠনের নেতৃত্বের দায়িত্ব আসুক যারা অন্তত রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজার এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আর সাংগঠনিকভাবে সংগঠন পরিচালনার অভিজ্ঞ ও দক্ষ একজন এমনটাই আশা প্রকাশ করছেন তৃনমুল।দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষপদের লড়াইয়ে সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা ও দক্ষিণের স্বেচ্ছাসেবক লীগে ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার সংগঠনটির সভাপতি প্রার্থী।

এ বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ বলেন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও গনতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখহাসিনা যদি আমাকে জাতীয় সেচ্ছাসেবক লীগের সন্মেলনে আমার সাংগঠনিক কর্মকান্ডে প্রতি আস্থা রেখে তিনি সভাপতি পদে যোগ্যতম মনেকরে এই দায়িত্ব অর্পন করেন,আমি তার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা রেখে আমি দল ও দেশের প্রতি ভুমিকায় আমি আমার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সাংগঠনিক ধারাকে অব্যাহত সংগঠনের সুনাম রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাব।।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© 2020 সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আলোরদেশ লিমিটেড। এই সাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া কপি করা বেআইনি।
প্রযুক্তি সহযোগিতায়ঃ UltraHostBD.Com
RtRaselBD