রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা হলেন ভোলার রায়হান শিল্পী তাহেরা চৌধুরীর প্রয়াণ দিবস, ৩০০ শিশুকে ছবি আঁকার উপকরণ বিতরণ জিয়া-মোস্তাকচক্র চার নেতাকে হত্যা করে এনেছে আরেকটি কালো অধ্যায় : ড. কামালউদ্দীন এমন কবি-প্রকাশক কি আর ফিরে আসবেন? : কামালউদ্দীন আহমেদ বিইউবিটিতে ২য় বারের মত আইসিপিসি এশিয়া-ঢাকা প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সমাপ্তি বিধবা নারীর জমি দখলের অভিযোগে ব্যাংকের পরিচালককে আইনি নোটিশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন রিকশা থেকে পড়ে জবি ছাত্রীর মৃত্যু, বন্ধু রিমান্ডে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা হলেন রাজ গৌরীপুরের গোলাম মোস্তফা বাঙ্গালীর ফিনিক্স পাখি শেখ হাসিনা

বিইউবিটিতে ২য় বারের মত আইসিপিসি এশিয়া-ঢাকা প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সমাপ্তি

আলোরদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে বক্তারা | আলোর দেশ

জবি প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউবিটি) ২য় বারের মত অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার এশিয়া ঢাকা আঞ্চলিক পর্ব। শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করে শনিবার সমাপনী হয়েছে।

প্রথমদিনে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেজবাহউদ্দিন আহমেদ। ২য় দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক (এমপি)।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের উদ্যোগে বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ কম্পিউটিং এই ইভেন্টের আয়োজন হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ ১১৭টি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭৪৫ দলের প্রিলিমিনারি প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন হয়। অনলাইন প্রিলিমিনারি প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে ১০৪টি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬৫টি টিমকে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচন করা হয়। বাংলাদেশের ১০৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৬৫ জন প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে ৪৯৫ জন শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে ১৬৫ টি দল এই প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক (এমপি) বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হিসেবে আগামীতে সারাবিশ্বে সাইবার সিকিউরিটিতে নেতৃত্ব দিবে বাংলার যুবকেরা সারাদেশে ১৩ হাজার শেখ রাসেল ল্যাব তৈরি করেছি আমরা যাতে দেশের সকলে স্কুল – কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা কোডিং এবং প্রোগ্রামিং শিখতে পারে। আমরা সারাদেশে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের আগে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে তথ্য প্রযুক্তিতে শক্তিশালী করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা তৈরীতে নেতৃত্বে দিবে বিশ্ব দরবারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিইউবিটির শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা আইসিটি ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করেনা বরং সমস্যা সমাধান করে। বিইউবিটির শিক্ষার্থীরা তিনটি অ্যাপস তৈরি করেছে নতুন চমক নিয়ে। আমরা আইসিটি ডিভিশন থেকে তাদের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবো। আজকাল আমাদের তরুণ সমাজ শুধু চাকুরী করে না উদ্যোক্তা হিসেবে চাকুরী তৈরি করে অন্যদেরকে চাকুরীর ব্যবস্থা করেন। বাংলাদেশের এখন ৫০ ভাগের অধিক জনসংখ্যার বয়স ৩৫ বছরের নিচে। আমাদের দেশ এখুনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যাওয়ার উপযুক্ত সময়।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন এদেশের মানুষকে একটি বিজ্ঞানমনস্ক জাতি উপহার দিতে। এজন্য ৫০ বছর পূর্বে বিজ্ঞানী ড. কুদরতে খুদার নেতৃত্বে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেছেন কিন্তু তিনি সেটা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। ঘাতকের নির্মম বুলেটের গুলিতে জীবন হারানোর জন্য।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, একানে যে টিমটি চ্যাম্পিয়ান হবে তারা সরাসরি আন্তজার্তিক আসরে সরাসরি অংশগ্রহণ করবে। আমাদের প্রোগ্রামাররা আগামীতে সারাবিশ্বে আইসিটি খাতকে নেতৃত্বে দিবে। করোনার সময়ে আমরা অনলাইন পশুর হাটে ৩ লাখ ৪৭ হাজার পশু দুইশো ৪৭ কোটি টাকা বিক্রি হয়েছে। আমরা বিজয়ী জাতি, আমরা দুর্বার, আমরা প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাবো দুর্বার গতিতে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিইউবিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী নূর বলেন, এ প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমাদের তরুণ সমাজ কাজ করবে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ ধরনের অনুষ্ঠান আগামীতে বিইউবিটি আরও আয়োজন করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বক্তারা বলেন, আমাদের অর্থনীতিতে খনিজ সম্পদ বেশি নেই তবে আমাদের একটি মূল্যবান সম্পদ আছে যুব সম্পদ। যা দেশের ১৫-২৭ বছরের বয়সের যুবকেরা। শিক্ষার্থীরা যখন সমস্যা সমাধান করে ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যয় করে তখন তাদের নতুন নতুন আবিষ্কার সৃষ্টি হয় এদেশের কল্যানে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রধান করেন সোসাল ইসলামি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাফর আলাম, থেরাপ বিডি লিমিটেডের পরিচালক মেজর জেনারেল মো. শামীম চৌধুরী, বিইউবিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এ এফ এম সরোয়ার কামাল, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক রঞ্জিত কুমার, আইসিপিসি বিচারক শাহরিয়ার মঞ্জুরসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিইউবিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফায়ৈজ খান বলেন, ভেঙেছে দুয়ার এসেছে জয়, তোমারি হোক জয়। এদেশে এগিয়ে যাবে তরুণদের হাত ধরে।

প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলেন যারা:

প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) DU Not Strong Enough দল এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন যথাক্রমে বাংলাদেশ প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) BUET Potatoes দল ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবির) JU kzvd4729 দল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© 2020 সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আলোরদেশ লিমিটেড। এই সাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া কপি করা বেআইনি।
প্রযুক্তি সহযোগিতায়ঃ UltraHostBD.Com
RtRaselBD