বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এক বিন্দু অক্সিজেন মানুষকে বাঁচাবে, এক টুকরো স্বপ্ন শিশুকে বাঁচাবে ! শৈশব পেড়িয়ে কৈশোর দেখিনি, কালকে আমার বিয়ে! শোকের মাসে জবি সাংবাদিকদের নির্বাচন, গঠনতন্ত্র বহির্ভূত কার্যক্রমে ফলাফল স্থগিত বামনায় সাংবাদিকদের মাঝে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ চরাঞ্চল ঘুরে করোনা টিকার ফ্রি নিবন্ধন করাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান চরফ্যাশনে যুবককে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশ অবরুদ্ধ তৃতীয় দিনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফিরেছে জবি শিক্ষার্থীরা “সেরা রাঁধুনীতে ফাষ্ট রানার্স আপ নাদিয়া নাতাশা” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে করোনা মোকাবিলায় মোদির মন্ত্রিসভায় রদবদল, শপথ নিলেন ৪৩ মন্ত্রী

পারফরম্যান্স আর্টে জাতীয় পুরস্কার পেয়ে রেকর্ড গড়লেন জবি শিক্ষার্থী

আলোরদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫০২ বার পড়া হয়েছে
নাঈম রাজ।

জবি প্রতিনিধি :


রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমীতে গত সোমবার থেকে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী ‘২২তম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী ২০২০’। এর মধ্যে পারফরম্যান্স আর্ট বিভাগে সেরা কাজের পুরস্কার পেয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং মুক্তমঞ্চের সভাপতি নাঈম রাজ। তার নির্দেশনায় ‘জীবন দ্বন্দ্ব’ শীর্ষক পারফরর্মেন্স আর্ট প্রদর্শনীতে শ্রেষ্ঠ খেতাব অর্জন করে। পারফর্মেন্স আর্টের উপর এটাই বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় অ্যাওয়ার্ড যা কিনা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে অর্জন করেছেন নাঈম রাজ।

নির্দেশক জানান, ‘প্রকৃতির ভারসাম্যের পাশাপাশি সমাজের ভারসাম্যও ভেঙ্গে যাচ্ছে। একদিকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন বৃদ্ধি পেয়েছে অন্যদিকে মানুষ সচেতন অথবা অবচেতনভাবে প্রকৃতির বাস্তুশৃঙ্খলা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপায়ে ভেঙ্গে ফেলছে। সেই সাথে বেড়েছে তথ্য-প্রযুক্তির উৎকর্ষ, আর কমেছে মানবিক সামর্থ্য। এসবের নিয়ন্ত্রণহীন নেতিবাচক ব্যাবহারে মানবাত্মা নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়েছে ; পরিণত হয়েছে বিকৃত এবং সত্তাহীন রিপুর দাসে। এ যেন দ্বন্দ্ব! যন্ত্র আর জীবনের দ্বন্দ্ব। এমন একটি ভাবনাকে উপজীব্য করেই এই পরিবেশনা শিল্পটি নির্মাণ করা হয়েছে।’

এতে অংশ নিয়েছেন কপোতাক্ষ নূপুরমা সিঞ্চি, যোহরা ইসলাম যুঁথী, উম্মে হানি, কাদেরুজ্জামান কমল, খমক মন্ত্র, ইয়াছিন শরীফ, আব্দুল্লাহ আল মারুফ, সৌমিক বসু, সৌরভ বিশ্বাস ও নাঈম হোসেন। সেট পরিকল্পনা করেছেন কাদেরুজ্জামান কমল ও আশফিকুর রহমান। পোশাক পরিকল্পনা করেছেন কপোতাক্ষ নূপুরমা সিঞ্চি এবং লাইট পরিকল্পনা করেছেন মাহুবুবুর রহমান। নেপথ্যে ছিলেন মোশাহেদ মিলন, সাইফ আহম্মেদ ও সাব্বির হোসেন।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে নাঈম বলেন, ভালো লাগছে। দায়িত্ববোধ আরো বেড়ে গেল। এখন আরো সততা দিয়ে কাজ করতে চাই। এই যাত্রা তো মাত্র শুরু, শিল্প আঙ্গিনায় বাঁকি জীবনটা কাঁটিয়ে দিতে চাই বিভিন্ন শিল্পকর্মের মধ্য দিয়ে। পুরস্কার পাওয়া একটা প্রাপ্তি তবে না পাওয়ার মাঝেই বড় প্রাপ্তি ও শক্তি নিহিত থাকে। এই শক্তি কাজ করার এবং সৃজনীশক্তিকে আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য অগ্রগামী ভূমিকা রাখে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© 2020 সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আলোরদেশ লিমিটেড। এই সাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া কপি করা বেআইনি।
প্রযুক্তি সহযোগিতায়ঃ UltraHostBD.Com
RtRaselBD