শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এক বিন্দু অক্সিজেন মানুষকে বাঁচাবে, এক টুকরো স্বপ্ন শিশুকে বাঁচাবে ! শৈশব পেড়িয়ে কৈশোর দেখিনি, কালকে আমার বিয়ে! শোকের মাসে জবি সাংবাদিকদের নির্বাচন, গঠনতন্ত্র বহির্ভূত কার্যক্রমে ফলাফল স্থগিত বামনায় সাংবাদিকদের মাঝে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ চরাঞ্চল ঘুরে করোনা টিকার ফ্রি নিবন্ধন করাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান চরফ্যাশনে যুবককে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশ অবরুদ্ধ তৃতীয় দিনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফিরেছে জবি শিক্ষার্থীরা “সেরা রাঁধুনীতে ফাষ্ট রানার্স আপ নাদিয়া নাতাশা” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে করোনা মোকাবিলায় মোদির মন্ত্রিসভায় রদবদল, শপথ নিলেন ৪৩ মন্ত্রী

তারুণ্যের জাদুকর একজন সজীব ওয়াজেদ জয়

আলোরদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৯
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে
লেখক

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এই কনসেপ্টটা আমরা কেউ কল্পনাই করি নাই। অনেকে হাসাহাসি করতো। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একজন একটা প্রজন্মের জন্য হয়ে ওঠেন বদলে দেওয়ার আইকন। বাংলাদেশের এমন একজন তরুন আইকন, যিনি বদলে দিয়েছেন দেশের বেকার যুবকদের ভাগ্য। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা এবং সেই স্বপ্ন পূরণের পথে দুর্বার গতিতে আমাদের ছুটে চলা যার হাত ধরে, তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়।

১৯৯৬ সালে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল যখন ক্ষমতায় তখন থেকেই সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দলের জন্য কাজ করতে গিয়েই তিনি বুঝতে পারেন তরুণ প্রজন্মকে ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব না। সেই ভাবনা থেকেই তিনি তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগাতে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা শুরু করেন। তার এই দূরদর্শিতার কারণের খুব অল্প সময়ের মধ্যে সীমিত জনবল নিয়েও বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তির দুনিয়ার সাথে ভালভাবেই সংযুক্ত করতে পেরেছে।

বিদেশে পড়াশোনা করে অনেক বিশিষ্ট মানুষই দেশে ফেরত এসেছেন। ক্যারিয়ার শিকেয় তুলে ছুটে এসেছেন জন্মভূমির ঋণ শোধে। অথচ এই সুধীজনের তালিকায় সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম নিতে সবারই কুণ্ঠা। কারণ? তিনি শেখ মুজিবের নাতি। শেখ হাসিনার ছেলে। এদের প্রশংসা করতে নেই। পাপ হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ শাসন করেছেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের থেকে এক টাকাও বেতন নেননি। তার নাতি সজীব ওয়াজেদ জয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা। অবৈতনিক, তিনিও কোন বেতন নেন না। বাংলাদেশের জনগণ থেকে এক টাকাও বেতন নেননি। এবং তাকে আমলে নিতেই হবে। গুরুত্ব দিতেই হবে। কারণ শেখ হাসিনার সরকারের যাবতীয় সাফল্যের নেপথ্যের কারিগর, সজীব ওয়াজেদ জয়।

বিগত সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ছিল অন্ধকার জনপদ। দেশের তেমন কোন উন্নয়ন তো হয়ই নাই বরং দেশের হতাশ তরুণ প্রজন্মও জড়িয়ে যাচ্ছিল জঙ্গিবাদের করাল গ্রাসে। সেই অবস্থা থেকে আজকের ২০১৯ এর বাংলাদেশ অনেকটাই পরিপক্ক, সমৃদ্ধ। বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তির দুনিয়ায় শক্ত অবস্থান পেয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের দূরদর্শী নেতৃত্বেই।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গাজীপুরের বেতবুনিয়া কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপনের মধ্য দিয়ে মহাকাশ গবেষণার স্বপ্নের যে বীজ বপন করেছিলেন তারই সফল বাস্তবায়ন আমরা দেখতে পাই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের এমন একটি অভিজাত ক্লাবের সদস্য যেখানে মাত্র ৫৬টি দেশের অবস্থান। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ অনেকটা এগিয়ে দেয় বাংলাদেশকে।

বেকারত্ব ছিল বাংলাদেশের তরুণদের জন্য অভিশাপ। সেই অভিশপ্ত জনশক্তিই এখন বাংলাদেশের সম্পদ। এখন তরুণ প্রজন্ম চাইলে নিজেকে চাকুরির বাজারে না নিয়েই ঘরে বসে টাকা উপার্জন করতে পারে। হতে পারে উদ্যোক্তা। এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ হচ্ছে সুলভ মূল্যে বেশি গতির ইন্টারনেট। সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে এবং দিকনির্দেশনায় কমতে থাকে বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মূল্য। গ্রাহক পর্যায়ে এই মূল্য আরো কমিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। এসব সাপোর্টের পাশাপাশি আমাদের দরকার ছিল দক্ষ ফ্রিল্যান্সারের। বাংলাদেশ সরকার এই কাজটিও করে যাচ্ছে সরকারি আর বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে। কয়েক লক্ষ শিক্ষিত তরুণকে বিনামূল্যে ট্রেনিং দিয়ে দক্ষ ফ্রিল্যান্সারে পরিণত করা হচ্ছে।

আমরা অবাক হয়ে দেখি এখন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগের চাইতে অনেক দ্রুত অপরাধী শনাক্ত করে ফেলতে পারছে এবং তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারছে। এসবই সম্ভব হয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনা গুলো বাস্তবায়ন হওয়াতে।

আমরা প্রত্যেকেই স্বপ্নচারী। আমাদের মতো সজীব ওয়াজেদ জয়ও একজন স্বপ্নচারী মানুষ। তিনিও স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন। তবে আমাদের অনেকের চাইতে তিনি যে কারণে আলাদা সেটি হচ্ছে তিনি শুধু স্বপ্ন দেখেনই না, সেই স্বপ্ন অন্যকে দেখাতেও পারেন, সেই স্বপ্নকে আমাদের হাতের মুঠোয় দিয়ে দিতে পারেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় একজন স্বপ্নচারী মানুষ, একজন তারুণ্যের জাদুকর। স্বপ্নবাজ এই মানুষটিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

লেখক :মোঃ কাইফ ইসলাম
সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© 2020 সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আলোরদেশ লিমিটেড। এই সাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া কপি করা বেআইনি।
প্রযুক্তি সহযোগিতায়ঃ UltraHostBD.Com
RtRaselBD